নওগাঁর সাপাহারে এক মাদরাসাছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের চেষ্টার অভিযোগে মো. মোহাম্মদ আলী (২৮) নামে এক মাদরাসা পরিচালক ও শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মাদরাসার একটি শ্রেণিকক্ষে ওই ছাত্রী একা অবস্থান করছিল। এ সময় মোহাম্মদ আলী শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করে তাকে জোরপূর্বক যৌন নিপীড়নের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
একপর্যায়ে ভুক্তভোগী ছাত্রীর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত শিক্ষক সেখান থেকে পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় পুলিশ তাকে আটক করে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে সাপাহার থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।
এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, মোহাম্মদ আলী এর আগেও বিভিন্ন সময়ে মাদরাসার ছাত্রীদের শ্রেণিকক্ষের দরজা বন্ধ রাখতে বলাসহ নানা ধরনের অশোভন আচরণ করতেন। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে পুলিশ তদন্ত করছে।
সাপাহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন রেজা জানান, এ ঘটনায় থানায় মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সার্বিক বিষয়ে তদন্ত করে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মাদরাসার একটি শ্রেণিকক্ষে ওই ছাত্রী একা অবস্থান করছিল। এ সময় মোহাম্মদ আলী শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করে তাকে জোরপূর্বক যৌন নিপীড়নের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
একপর্যায়ে ভুক্তভোগী ছাত্রীর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত শিক্ষক সেখান থেকে পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় পুলিশ তাকে আটক করে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে সাপাহার থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।
এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, মোহাম্মদ আলী এর আগেও বিভিন্ন সময়ে মাদরাসার ছাত্রীদের শ্রেণিকক্ষের দরজা বন্ধ রাখতে বলাসহ নানা ধরনের অশোভন আচরণ করতেন। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে পুলিশ তদন্ত করছে।
সাপাহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন রেজা জানান, এ ঘটনায় থানায় মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সার্বিক বিষয়ে তদন্ত করে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রতিনিধি :